উচ্চ ফলনশীলতা: প্রতি একর জমিতে বছরে ২০০-৩০০ মন পর্যন্ত সবুজ ঘাস উৎপাদন সম্ভব।
এই ঘাসের গোড়া খুবই নরম। এই ঘাস ৮ থেকে ১০ ফুট লম্বা হয়ে গেলেও গোড়া শক্ত হয় না। সুতরাং সকল গবাদিপশু এই ঘাস আগা-গোড়া সমান ভাবে খেতে পারে।
প্রতিবার কাটার পর ২৫ থেকে ৩০ দিনের মাথায় আবার কাটার উপযুক্ত হয়ে যায়। ১ মাস বয়সি ঘাস ৫ থেকে ৬ ফুট অথবা তারও বেশি লম্বা হয়।এই ঘাস অনেক ঝোপালো হয়। প্রতিটা ঝাড় থেকে ২০/৩০ এমনকি ৪০ টিরও বেশি ঘাস বের হয়।
উচ্চ পুষ্টিমান: এতে প্রোটিনের পরিমাণ ১২-১৮% পর্যন্ত হতে পারে, যা গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার জন্য অত্যন্ত উপকারী।
সহজ রোপণ ও পরিচর্যা: এটি কাটিং (চারা) বা রাইজোমের মাধ্যমে রোপণ করা হয় এবং অনেকটা কম পরিচর্যায় বেড়ে উঠে।
বিভিন্ন মাটিতে চাষযোগ্য: এ ঘাস প্রায় সব ধরনের মাটিতে ভালো জন্মে, তবে উর্বর ও পানি নিষ্কাশনের সুবিধাযুক্ত মাটি সবচেয়ে ভালো।
রোগবালাই প্রতিরোধী: অন্যান্য জাতের তুলনায় গুয়াতেমালা ঘাস রোগবালাই কম আক্রমণ করে।
বারোমাস চাষযোগ্য: সঠিক ব্যবস্থাপনায় বছরজুড়েই এটি উৎপাদন করা !
অর্ডার কনফার্ম করার পূর্বে ভালো করে দেখে নিন, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার ঠিক আছে কিনা ! আমরা আশা করি আপনি পার্সেলটি রিসিভ করবেন।
“আমরা প্রতিটি অর্ডারের আইপি অ্যাড্রেস সংরক্ষণ করছি। ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বা ফেইক অর্ডার করলে আপনার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দয়া করে প্রতারণার চেষ্টা করে আইন ভাঙার ঝুঁকি নেবেন না।”
বীজ সম্পর্কে যে কেনো তথ্য জানতে whatapp নাম্বারে মেসেজে দিন। 📞